বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য


বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য 
বৃদ্ধবয়সে বাবা-মায়ের যত্ন: সন্তানের দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়”। 
বৃদ্ধ বয়সে  বাবা- মায়ের  প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য  

ভূমিকা

পিতা-মাতা মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। শৈশব থেকে শুরু করে একজন মানুষকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা পর্যন্ত বাবা-মায়ের আত্মত্যাগ ও অবদানের কোনো বিকল্প নেই। তবে সময়ের আবর্তে মানুষ যখন বার্ধক্যে উপনীত হয়, তখন তার শারীরিক ও মানসিক শক্তি লোপ পায়। ঠিক যেভাবে শৈশবে বাবা-মা আমাদের পরম মমতায় আগলে রেখেছিলেন, তেমনি তাদের বৃদ্ধ বয়সে সন্তান হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব তাদের যত্ন নেওয়া। বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের যত্ন নেওয়া কেবল একটি পারিবারিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি নৈতিক, ধর্মীয় এবং সামাজিক কর্তব্য। বর্তমান ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনে অনেক সময় প্রবীণরা অবহেলা ও একাকীত্বের শিকার হন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।


পিতামাতার বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের করণীয় ও দায়িত্ব কী কী? তাঁদের প্রতি বিনম্র আচরণ, ভরণপোষণ এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব সম্পর্কে জানুন এই আর্টিকেলে

সূচিপত্রঃ
  • ভূমিকা
  • বার্ধক্যের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন
  • বাবা-মায়ের যত্নে সন্তানের দায়িত্বসমূহ
  • সঠিক পুষ্টি ও খাদ্যতালিকা
  • চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা
  • মানসিক ও আবেগীয় সমর্থন
  • বিনোদন ও সামাজিকতা
  • যান্ত্রিক জীবনে চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়
  • ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চাহিদা পূরণ
  • উপসংহার


বার্ধক্যের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন
বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শরীরে নানাবিধ হরমোনজনিত এবং অঙ্গসংস্থানিক পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনগুলো বুঝতে না পারলে তাদের সঠিক যত্ন নেওয়া সম্ভব নয়।
  • রোগব্যাধির আক্রমণ: বার্ধক্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, বাতের ব্যথা এবং অ্যালঝেইমার্স বা স্মৃতিভ্রমের মতো রোগগুলো বাসা বাঁধে।
  • শারীরিক দুর্বলতা: দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়া, কানে কম শোনা এবং হাঁটাচলার শক্তি কমে যাওয়া এই সময়ের সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
  • হজমশক্তি কমে যাওয়া: বয়সের কারণে পরিপাকতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে সাধারণ খাবারও সহজে হজম হতে চায় না।
  • ঘুমের সমস্যা: প্রবীণ বয়সে অনেকেরই অনিদ্রা রোগ দেখা দেয়। রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় তারা সারাদিন ক্লান্ত বোধ করেন।
বাবা-মায়ের যত্নে সন্তানের দায়িত্বসমূহ
বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের সার্বিক যত্নকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:
১. শারীরিক যত্ন ও বাসস্থান
বৃদ্ধ বয়সে শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি।
  • আরামদায়ক বাসস্থান: তাদের থাকার ঘরটি যেন পর্যাপ্ত আলো-বাতাসযুক্ত এবং শান্ত হয়। ঘরের মেঝে যেন পিচ্ছিল না থাকে এবং বাথ রুমে হাই-কমোড ও হাতল বা গ্র্যাব বার থাকা উচিত, যাতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
  • দৈনন্দিন কাজে সহায়তা: গোসল, কাপড় পরিবর্তন বা চুল কাটার মতো ব্যক্তিগত কাজে প্রয়োজনে তাদের সাহায্য করুন।
সঠিক পুষ্টি ও খাদ্যতালিকা
বৃদ্ধ বয়সে হজমশক্তি কমে যায়, তাই তাদের খাবারের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে।
  • সহজপাচ্য খাবার: তেল-চর্বিযুক্ত এবং অতিরিক্ত মশলাদার খাবার পরিহার করে নরম ও সহজে হজম হয় এমন খাবার দিতে হবে।
  • পুষ্টিকর খাদ্য: ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন—দুধ, ডিম, তাজা ফলমূল এবং শাকসবজি খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে।
  • পর্যাপ্ত পানি: তারা যেন নিয়মিত এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করেন, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা
বার্ধক্যের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে রোগব্যাধি। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলা আবশ্যক।
  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং চোখের নিয়মিত পরীক্ষা করানো উচিত।
  • ওষুধের সঠিক ব্যবস্থাপনা: বৃদ্ধ বয়সে অনেকে ওষুধ খেতে ভুলে যান। সন্তানের দায়িত্ব হলো সঠিক সময়ে সঠিক ওষুধটি তাদের খাইয়ে দেওয়া।
  • জরুরি প্রস্তুতি: ঘরের কাছাকাছি কোনো ভালো হাসপাতাল বা ডাক্তারের ফোন নম্বর এবং অ্যাম্বুলেন্সের যোগাযোগ ব্যবস্থা সবসময় প্রস্তুত রাখা উচিত।
মানসিক ও আবেগীয় সমর্থন
শারীরিক যত্নের চেয়েও অনেক সময় মানসিক সমর্থন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • সময় দেওয়া: সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত কিছুটা সময় বাবা-মায়ের পাশে বসুন, তাদের সাথে গল্প করুন এবং পুরানো দিনের স্মৃতিচারণ করুন।
  • মতামতের মূল্যায়ন: পরিবারের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তাদের পরামর্শ নিন। এতে তারা নিজেদের মূল্যবান এবং পরিবারের অংশ মনে করবেন।
  • ধৈর্যশীল আচরণ: তারা বার বার একই কথা বললে বা মেজাজ হারালে কখনোই বিরক্ত হবেন না। মনে রাখবেন, শৈশবে আপনিও এমন আচরণ করেছিলেন এবং তারা তা হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন।
 বিনোদন ও সামাজিকতা
একঘেয়েমি দূর করতে প্রবীণদের বিনোদনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
  • পছন্দের কাজ: তারা যদি বই পড়তে, গান শুনতে বা বাগান করতে ভালোবাসেন, তবে সেই পরিবেশ তৈরি করে দিন।
  • আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগ: তাদের পুরোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের সাথে ফোনে কথা বলিয়ে দিন কিংবা মাঝে মাঝে তাদের বাড়ি নিয়ে যান।
  • মানসিক ও আবেগীয় সমর্থন
    শারীরিক যত্নের চেয়েও বৃদ্ধ বয়সে মানসিক সমর্থন অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। একাকীত্ব দূর করতে সন্তানদের উচিত বাবা-মায়ের সাথে গুণগত সময় কাটানো।
    • কথা বলা ও শোনা: প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় তাদের পাশে বসে গল্প করা উচিত। তাদের অতীতের গল্প বা অভিজ্ঞতা মনোযোগ দিয়ে শুনলে তারা অত্যন্ত আনন্দ পান।
    • গুরুত্ব দেওয়া: পরিবারের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় প্রবীণ বাবা-মায়ের মতামত বা পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে তারা নিজেদের অবহেলিত ভাবেন না এবং তাদের আত্মসম্মানবোধ বজায় থাকে।
    • ধৈর্যশীল আচরণ: বার্ধক্যজনিত কারণে অনেক সময় তারা একই কথা বারবার বলতে পারেন বা খিটখিটে মেজাজ দেখাতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই রাগ বা বিরক্তি প্রকাশ করা যাবে না। অত্যন্ত ধৈর্য ও মিষ্টি হাসির সাথে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।
    •  ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চাহিদা পূরণজীবনের শেষ প্রান্তে এসে মানুষ সাধারণত ধর্মকর্মের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েন। এটি তাদের মানসিক প্রশান্তি দেয়।বাবা-মায়ের ধর্মীয় বইপুস্তক পড়ার ব্যবস্থা করে দিন।তারা যদি উপাসনালয়ে (যেমন- মসজিদ, মন্দির বা চার্চে) যেতে চান, তবে নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করুন।বাসায় বসে শান্তিতে ইবাদত বা প্রার্থনা করার জন্য একটি নিরিবিলি পরিবেশ তৈরি করে দিন।
  • যান্ত্রিক জীবনে চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়
    • বর্তমান আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক যুগে ক্যারিয়ার এবং জীবিকার তাগিদে অনেকেই বাবা-মায়ের থেকে দূরে থাকছেন। যৌথ পরিবার ভেঙে একক পরিবার গড়ে উঠছে। ফলে বৃদ্ধ বাবা-মায়েরা নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন। অনেকে আবার কর্মব্যস্ততার কারণে সময় দিতে না পেরে বাবা-মাকে ওল্ড হোম বা বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ব্যস্ততার মধ্যেও কীভাবে বাবা-মায়ের খোঁজ রাখা যায়, তার কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:
  • প্রযুক্তির ব্যবহার: দূরে থাকলেও প্রতিদিন ভিডিও কলের মাধ্যমে বাবা-মায়ের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নেওয়া উচিত।
  • ছুটির দিনগুলো উৎসর্গ করা: সপ্তাহের ছুটির দিনগুলো বা উৎসবের সময়টা অন্য কোথাও না ঘুরে বাবা-মায়ের সাথে কাটানো উচিত।
  • কেয়ারগিভারের ব্যবস্থা: কর্মব্যস্ততার কারণে সার্বক্ষণিক পাশে থাকা সম্ভব না হলে, বিশ্বস্ত কোনো কেয়ারগিভার বা সেবিকা নিয়োগ করা যেতে পারে, যিনি শারীরিক যত্ন নেবেন। তবে মনে রাখতে হবে, কেয়ারগিভার কখনোই সন্তানের ভালোবাসার বিকল্প হতে পারে না।

আরো পড়ুনঃধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বাবা-মায়ের স্থান
পৃথিবীর প্রতিটি প্রধান ধর্মেই পিতা-মাতার সেবা করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।
  • ইসলাম ধর্ম: ইসলামে আল্লাহর ইবাদতের পরেই পিতা-মাতার প্রতি সদয় ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, তারা বৃদ্ধ হলে তাদের প্রতি উফ শব্দটিও বলো না এবং তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বলো।
  • সনাতন (হিন্দু) ধর্ম: হিন্দু শাস্ত্রে 'পিতৃদেব ভব, মাতৃদেব ভব' বলা হয়েছে, অর্থাৎ পিতা-মা ঈশ্বরের সমতুল্য।
  • অন্যান্য ধর্ম: খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ ধর্মেও পিতা-মাতাকে শ্রদ্ধা করা এবং তাদের শেষ বয়সে সেবা করাকে পরম পুণ্য হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃআধুনিক সমাজে প্রবীণদের সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ
বর্তমান সময়ে যৌথ পরিবার ভেঙে একক পরিবার গঠিত হওয়ার কারণে বৃদ্ধ বাবা-মায়েরা চরম সংকটে পড়েছেন।
  • একাকীত্ব: সন্তানেরা চাকরি বা পড়াশোনার সূত্রে বাইরে থাকায় বৃদ্ধ পিতা-মাতা একাকী জীবনযাপন করেন।
  • বৃদ্ধাশ্রমের প্রবণতা: আধুনিক সমাজে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা বাড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতারই বহিঃপ্রকাশ। নিজ ঘরে যে শান্তি ও সম্মান প্রবীণরা পান, তা কোনো আশ্রমে পাওয়া সম্ভব নয়।
  • অর্থনৈতিক অনিরাপত্তা: অনেক সময় অবসরের পর প্রবীণরা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন, যা তাদের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তোলে।
আরো পড়ুনঃ সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ভূমিকা
পিতা-মাতার যত্ন নেওয়ার মূল দায়িত্ব সন্তানের হলেও সমাজ ও রাষ্ট্রেরও কিছু করণীয় রয়েছে।
  • আইনি সুরক্ষা: বাংলাদেশে 'পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩' রয়েছে, যা বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের অধিকার নিশ্চিত করে। এই আইনের সঠিক বাস্তবায়ন জরুরি।
  • প্রবীণবান্ধব অবকাঠামো: গণপরিবহন, হাসপাতাল এবং ব্যাংকগুলোতে প্রবীণদের জন্য আলাদা লাইন বা আসনের ব্যবস্থা থাকা উচিত।
  • সামাজিক সচেতনতা: তরূণ প্রজন্মের মধ্যে প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা দরকার।
 ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চাহিদা পূরণ
জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মানুষ সাধারণত ধর্মকর্মের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েন। এটি তাদের মানসিক প্রশান্তি দেয়।
  • বাবা-মায়ের ধর্মীয় বইপুস্তক পড়ার ব্যবস্থা করে দিন।
  • তারা যদি উপাসনালয়ে (যেমন- মসজিদ, মন্দির বা চার্চে) যেতে চান, তবে নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করুন।
  • বাসায় বসে শান্তিতে ইবাদত বা প্রার্থনা করার জন্য একটি নিরিবিলি পরিবেশ তৈরি করে দিন
উপসংহার

আজকের তরুণ বা মধ্যবয়সী সন্তানই আগামী দিনের প্রবীণ নাগরিক। সময়ের নিয়মেই সবাই একদিন বার্ধক্যে পৌঁছাবে। তাই আজ আমরা আমাদের বাবা-মায়ের সাথে যে আচরণ করব, ভবিষ্যতে আমাদের সন্তানদের কাছ থেকেও ঠিক তেমন আচরণই পাব। বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের যত্ন নেওয়া কোনো দয়া বা এহসান নয়, এটি আমাদের অস্তিত্বের ঋণ শোধ করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানো এবং তাদের শেষ জীবনকে শান্তিময় করে তোলাই হোক প্রতিটি সন্তানের প্রধান লক্ষ্য।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি মধুমিতা আইটির নিতিমালা মেনে কমেন্ট করুন ।প্রতিটি কমেন্ট গুরুতসহকারে পর্যালোচনা করা হয়।

comment url
Md. Atiqur Rahman
Md. Atiqur Rahman
আমি মোহাম্মদ আতিকুর রহমান শাকিল। পড়াশোনা করেছি নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং বিভাগে (বিবিএ), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-র হিউম্যান রিসোর্স বিভাগে (এমবিএ) এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে (মাস্টার্স)।আমার উদ্যোগে গঠিত "মধুমতি আইটি"-র প্রধান লক্ষ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসায় প্রযুক্তির ব্যবহারকে সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করা। উন্নত মানের আইটি সেবা, ডিজিটাল মার্কেটিং পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি আমরা তরুণদের আইটি দক্ষতা বাড়াতে কাজ করছি। এর পাশাপাশি, আমাদের আরেকটি বড় উদ্দেশ্য হলো কোনো জটিল গ্রামার ছাড়াই বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য সহজ স্ট্রাকচারের মাধ্যমে অ্যাডভান্সড ইংরেজি লেখা ও বলার দারুণ সব কনটেন্ট তৈরি করা। এছাড়াও মধুমিতা এগ্রো প্রজেক্ট নিয়েও আমাদের কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। ।